ই কমার্সের বৈশিষ্ট্য - ই কমার্স এবং ই বিজনেসের মধ্যে পার্থক্য
ই-কমার্স কে আমরা কমবেশি সকলেই চিনি। অনেকেই বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে
প্রয়োজনীয় পছন্দের পণ্য অর্ডার করে থাকি। এই ব্লগ পোস্টে ই-কমার্সের মূল
বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং ই-কমার্স এবং ই-ব্যবসার মধ্যে প্রধান
পার্থক্যগুলো সহজ এবং ব্যবহারিক উপায়ে তুলে ধরা হয়েছে।
সূচিপত্রঃ- ই কমার্সের বৈশিষ্ট্য - ই কমার্স এবং ই বিজনেসের মধ্যে পার্থক্য
- ই-কমার্স আর্টিকেলের উদ্দেশ্য
- ই কমার্সের বৈশিষ্ট্য
- ই-কমার্স সাইট || ই কমার্স সেবার তালিকা
- ই কমার্স এবং ই বিজনেসের মধ্যে পার্থক্য
- কতিপয় ই-কমার্স প্রযুক্তির সেবা
ই-কমার্স আর্টিকেলের উদ্দেশ্য
এই আর্টিকেল পাঠকদের বুঝতে সাহায্য করবে যে অনলাইনে কেনাকাটা এবং বিক্রয়
কীভাবে কাজ করে, কোন জিনিস গুলো ই-কমার্সকে জনপ্রিয় করে তুলেছে এবং ই-ব্যবসার
বৃহত্তর ধারণা থেকে এটি কীভাবে আলাদা। আপনি একজন ছাত্র, উদ্যোক্তা, অথবা
ডিজিটাল কমার্সে নতুন, এই পোস্টটি বাস্তব-জগতের প্রাসঙ্গিকতার সাথে সহজে
বোধগম্য অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
ই কমার্সের বৈশিষ্ট্য
ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ও পরিষেবা ক্রয়-বিক্রয়কে ই-কমার্স, বা ইলেকট্রনিক
কমার্স বলা হয়। ই-কমার্সের মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে, ব্যবসা পরিচালনার ধরণ এবং
গ্রাহকদের কেনাকাটা করার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। ই-কমার্সের কিছু মূল
বৈশিষ্ট্য নীচে দেওয়া হলো।
১. অনলাইন উপস্থিতি
ই-কমার্সের সবচেয়ে মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো এটি অনলাইনে পরিচালিত হয়। ব্যবসাগুলো
পণ্য প্রদর্শন, তথ্য শেয়ার করে নেওয়া এবং গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য
ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে। ই-কমার্স একটি বাস্তব দোকানের
প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
২. বিশ্বব্যাপী পৌঁছানো
ই-কমার্স কেবল ভৌগোলিক অবস্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনা। ই-কমার্সের দ্বারা
একটি ব্যবসা বিভিন্ন শহর বা এমনকি বিভিন্ন দেশের গ্রাহকদের কাছে পণ্য বিক্রি
করা যায়। এই গ্লোবাল রিচ কোম্পানিগুলোকে ট্রেডিশনাল খুচরা বিক্রেতার তুলনায়
অনেক বেশি গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
৩. ২৪/৭ উপলব্ধতা
ফিজিক্যাল দোকানগুলো নির্দিষ্ট সময়ে খোলা হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ করা
হয় অর্থাৎ এই দোকানগুলোর একটি নির্দিষ্ট কর্ম ঘন্টার ব্যবস্থা রয়েছে
বিপরীতে, ই-কমার্স প্লাটফর্ম গুলোতে যেকোনো সময় সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে।
গ্রাহকরা যেকোনো সময় পণ্য ব্রাউজ করতে, অর্ডার দিতে এবং অর্থপ্রদান করতে
পারেন, যা বড় সুবিধা প্রদান করে।
৪. ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম
ই-কমার্স ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন ওয়ালেট এবং ব্যাংক ট্রান্সফারের
মতো ইলেকট্রনিক পেমেন্ট পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। এই পেমেন্ট সিস্টেমগুলো দ্রুত,
নিরাপদ এবং ব্যবহারে সহজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যবসায় ও বাণিজ্যের
অংশীদারগণ ইলেকট্রনিক ডাটা ইন্টারচেঞ্জ (EDI) ব্যবহার করে নিরাপদ লেনদেনগুলো
বিনিময় এবং সুসম্পন্ন করতে ইন্টারনেট এবং এক্সট্রানেট-এর উপর নির্ভর করে।
৫. সহজ পণ্য তুলনা
ই-কমার্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো সহজে পণ্যের তুলনা করা যায়।
গ্রাহকরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দাম, বৈশিষ্ট্য, পর্যালোচনা এবং রেটিং পরীক্ষা
করতে পারেন, যা কাস্টমারদেরকে আরও ভালভাবে পণ্য বেছে নিতে সাহায্য করে।
৬. ব্যক্তিগতকৃত কেনাকাটার অভিজ্ঞতা
অনেক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম গ্রাহকদের পছন্দ হতে পারে এমন পণ্যের সুপারিশ
প্রদানের জন্য ডেটা ব্যবহার করে। ব্রাউজিং ইতিহাস বা পূর্বের পণ্য ক্রয়ের উপর
ভিত্তি করে, ব্যবহারকারীদের তাদের আগ্রহের সাথে মেলে এমন পণ্য দেখানো হয়।
৭. কম অপারেটিং খরচ
ই-কমার্স ব্যবসার জন্য সাধারণত ফিজিক্যাল দোকানের তুলনায় কম খরচ হয়। ই-কমার্স
ব্যবসায় দোকান ঘরের ভাড়া প্রয়োজন হয় না, ইউটিলিটি এবং কর্মীদের উপর অর্থ
সাশ্রয় করে, যা প্রায়শই তাদের প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে
সাহায্য করে।
৮. দ্রুত তথ্য শেয়ারিং
ই-কমার্স প্লাটফর্মগুলোতে পণ্যের বিবরণ, ছবি, প্রাপ্যতা এবং অর্ডারের অবস্থা
তাৎক্ষণিকভাবে আপডেট করা যায়। গ্রাহকরা নিশ্চিতকরণ, শিপিং এবং ডেলিভারি
সম্পর্কে দ্রুত জানতে পারে, যা স্বচ্ছতা বজায় রাখে।
৯. গ্রাহক রিভিউ এবং ফিডব্যাক
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো গ্রাহকদের রিভিউ এবং রেটিং দেওয়ার সুযোগ প্রদান করে।
এটি গ্রাহকদের মাঝে আস্থা তৈরি করে এবং অন্যান্য ক্রেতাদের সচেতন সিদ্ধান্ত
নিতে সাহায্য করে এবং ব্যবসাগুলোকে তাদের পরিষেবা উন্নত করতেও সহায়তা করে।
১০. স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া
ই-কমার্সের অনেক কার্যক্রম, যেমন অর্ডার প্রক্রিয়াকরণ, ইনভেন্টরি ব্যবস্থাপনা
এবং বিলিং, স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়। এটি দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং
মানুষের ত্রুটি হ্রাস করে।
১১. ই-কমার্সের ভিত্তি ও তথ্যের নিরাপত্তা
ইন্টারনেট, ইন্ট্রানেট এবং এক্সট্রানেট হলো ই-কমার্সের নেটওয়ার্কের অবকাঠামো বা
ভিত্তি। ক্রেতাকে অবশ্যই তথ্যের নিরাপত্তা, বাজারজাতকরণ, লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং
পরিশোধ সেবাসমূহ দিতে হবে।
ই-কমার্স সাইট || ই কমার্স সেবার তালিকা
কোম্পানির কর্মচারীগণ ই-কমার্স সমর্থিত কার্যক্রমের সাথে যোগাযোগ স্থাপন এবং
সহযোগীতা (Collaborate) করতে বিচিত্র ইন্টারনেট রিসোর্সের উপর নির্ভর
করে। পৃথিবীতে অনেক বড় বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যারা অনেকদিন ধরে
ই-কমার্স পরিচালনা করে আসছে নিম্নে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত ই-কমার্স
প্লাটফর্ম সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো।
- অ্যামাজন ডট কম (Amazon.com)
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট অ্যামাজন ডট কম (Amazon.com) এটি মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ইন্টারনেট ভিত্তিক খুচরা বিক্রেতা। ৫ জুলাই ১৯৯৪ জেফ বেজস
কর্তৃক ই-কমার্স সাইট অ্যামাজন প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের
ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে অবস্থিত।
- ওএলএক্স ডট কম (Olx.com)
OLX (On Line Exchange) অনলাইণ কোনা বেচার একটি জনপ্রিয় সাইট যা Fabrice Grinda
কতৃক ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ওয়েব সাইটটিতে বিনামূল্যে যে কোন পণ্যের
বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যায়।
- বিক্রয় ডট কম (Bikroy.com)
বাংলাদেশের অনলাইনে কেনা বেচার সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস বিক্রয় ডট কম
(Bikroy.com)। ২০১২ খ্রিষ্টাদ্বের ১ জুন সাইটটি যাত্রা শুরু করে।
- এখানেই ডট কম (Ekhanei.com)
‘এখানেই ডট কম’ অনলাইনে পণ্য কেনা বেচার একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
পূর্বে এই সাইটটির নাম ছিলো ‘সেল বাজার’ যা ২০০৬ সালে গ্রামীণফোনের সহযোগী
প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ওয়েব সাইটটি নরওয়ে ভিত্তিক শিবস্টেড
এবয় টেলিনর গ্রুপের মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
ই-কমার্সের কিছু উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রসমূহ-
- পণ্য ও সেবা কেনা/বেচা।
- মূল্য পরিশোধ।
- পণ্য নিলাম।
- বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এর পণ্য ও সেবার মূল্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ।
- টিকেট ক্রয়।
- পণ্য ও সেবা অর্ডার ও বুকিং দেয়া।
- অনলাইন বিজ্ঞাপন বাণিজ্য ইত্যাদি।
ই কমার্স এবং ই বিজনেসের মধ্যে পার্থক্য
যদিও ই-কমার্স এবং ই-ব্যবসা শব্দ দুটি প্রায়শই পরস্পরের পরিবর্তে ব্যবহৃত
হয়, তবে এগুলো একই জিনিস নয়। ই-কমার্স এবং ই-ব্যবসা, উভয়ের সাথেই ডিজিটাল
প্রযুক্তির ব্যবহার জড়িত, তবে তাদের পরিধি এবং উদ্দেশ্য ভিন্ন।
ই কমার্স কি?
ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাণিজ্যিক লেনদেন, পণ্য ও পরিষেবা
ক্রয়-বিক্রয়কে করাকে ই-কমার্স বলা হয়। ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর
বাণিজ্যিক লেনদেন বলতে কোন প্রতিষ্ঠান ও অন্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে, কোন
প্রতিষ্ঠান ও কোন ব্যক্তির মধ্যে কিংবা কোন ব্যক্তি ও অন্য ব্যক্তির মধ্যে
ডিজিটাল টেকনোলজির মধ্যস্থতায় পণ্য ও সেবার বিপরীতে অর্থ লেনদেন করাকে বুঝায়।
ই বিজনেস কি?
ই-বিজনেস বলতে কোনো প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণাধীন আধুনিক ইনফরমেশন
সিস্টেমসহ ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর অভ্যন্তরীণ সকল প্রকার লেনদেন বা অর্থ
বিনিময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। ই-কমার্স ইন্টারনেট ভিত্তিক সকল প্রকার
বাণিজ্যিক লেনদেনের সাথে জড়িত এবং ই-বিজনেস প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণাধীন সকল
প্রকার ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর লেনদেনের সাথে জড়িত। অর্থাৎ ই-ব্যবসা একটি
বিস্তৃত ধারণা যার মধ্যে ই-কমার্সের পাশাপাশি সমস্ত অনলাইন ব্যবসায়িক
কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সুযোগ
- সাধারনত ই-কমার্সের পরিসর সীমিত রয়েছে কারণ এটি মূলত পণ্য বিক্রয়, অর্থপ্রদান এবং অর্ডার প্রক্রিয়াকরণের মতো অনলাইন লেনদেনের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- অন্যদিকে, ই-ব্যবসায় বিস্তৃত পরিসর রয়েছে। এটি বিক্রয়ের পাশাপাশি অনলাইন মার্কেটিং, গ্রাহক পরিষেবা, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনাকে অন্তর্ভুক্ত করে।
সম্পর্কিত কার্যক্রম
- ই-কমার্স অনলাইন শপিং, ইলেকট্রনিক পেমেন্ট এবং ডিজিটাল পণ্য সরবরাহের মতো কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত।
- ই-ব্যবসায় এই কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে কর্মীদের পরিচালনা, কাস্টমার রিলেশন হ্যান্ডেল, ডেটা বিশ্লেষণ এবং অনলাইন সহযোগিতা।
সম্পর্ক
- ই-কমার্স হলো ই-ব্যবসার একটি অংশ।
- ই-ব্যবসা হলো ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর।
প্রযুক্তির ব্যবহার
- ই-কমার্স মূলত ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে।
- ই-ব্যবসায় এন্টারপ্রাইজ সিস্টেম, কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট (CRM), ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মতো উন্নত ডিজিটাল টুলস ব্যবহার করে।
লক্ষ্য
- ই-কমার্সের মূল লক্ষ্য হলো বিক্রয় এবং রাজস্ব তৈরি করা।
- ই-ব্যবসার লক্ষ্য হলো সামগ্রিক ব্যবসায়িক দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টি উন্নত করা।
উদাহরণ
- ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে এমন একটি অনলাইন স্টোর ই-কমার্সের একটি উদাহরণ।
- যে কোম্পানি তার বিক্রয়, বিপণন, গ্রাহক সহায়তা এবং অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ডিজিটালভাবে পরিচালনা করে সেগুললো ই-ব্যবসায়ের একটি উদাহরণ।
কতিপয় ই-কমার্স প্রযুক্তির সেবা
ইন্টারনেট সেবার সাথে জড়িত পেশাজীবিগণ এবং প্রান্ত (শেষের দিকের) ব্যবহারকারীরা
ওয়েবসাইট এর কার্যক্রম এবং উপাদানসমূহ উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা করতে বিচিত্র
সফ্টওয়্যার টুলস ব্যবহার করতে পারে। নিম্নে কতিপয় ই-কমার্স প্রযুক্তির সেবা
উদাহরণসহ উল্লেখ করা হলো-
১. এপ্লিকেশন সার্ভিস
উদাহরণঃ
- বিজনেস টু কাস্টমার (B2C)
- বিজনেস টু বিজনেস (B2B)
- আভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া
২. ব্রোফারেজ এবং ডাটা ব্যবস্থাপনা
উদাহরণঃ
- আন্তঃঅর্ডার প্রক্রিয়াকরণ।
- নিরাপদ পেমেন্ট সিস্টেম।
- ভার্চুয়্যাল মালের জন্য নিকাশ ঘর।
৩. ইন্টারফেস সার্ভিস
উদাহরণঃ
- ইন্টারেক্টিভ ক্যাটালগ
- ডিরেকটরী সহায়ক কার্যক্রম
- সফটওয়্যার প্রতিনিধি
৪. নিরাপদ মেসেজিং বা বার্তা নির্বাহ
উদাহরণঃ
- সিকিউর হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল।
- ই-মেইল এবং EDI এনক্রাইন্ট (Encrypt) করা।
- রিমোর্ট প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস।
৫. মিডেলোয়ের (Middleware) সেবা
উদাহরণঃ
- হাইপার মিডিয়া ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট।
- ওয়েব/লেজেসি (lagacy) সিস্টেম ইন্টারফেস।
৬. নেটওয়ার্কিং অবকাঠামো
উদাহরণঃ
- ইন্টারনেট, ইন্ট্রানেট এবং এক্সট্রানেট।
- ক্লায়েন্ট/সার্ভার এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক।
Timeline Treasures নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url