মহাদেশ কয়টি ও কি কি -মহাদেশের সংজ্ঞা
পৃথিবীর উপরিভাগ একেবারে অবিচ্ছিন্ন কোনো ভূখণ্ড নয়, বরং তা বিভক্ত হয়ে আছে
কয়েকটি বিশাল ও স্বতন্ত্র ভূখণ্ডে — এগুলোকেই আমরা চিনি মহাদেশ নামে। এর পেছনের
কারণ লুকিয়ে আছে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনের মধ্যে; কোটি কোটি বছর ধরে টেকটোনিক
প্লেটগুলোর ধীর গতিতে সরে যাওয়ার ফলে প্রাচীন এক অখণ্ড স্থলভাগ ক্রমে ভেঙে আজকের
রূপ নিয়েছে।
শুধু ভৌগোলিক অবস্থানই নয়, প্রতিটি মহাদেশের ভাষা, আবহাওয়া, জীববৈচিত্র্য ও
সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যেও রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য, যা একে অপরের থেকে আলাদা করে
তুলেছে।
সূচিপত্রঃ- মহাদেশ কাকে বলে- মহাদেশ কয়টি ও কি কি
মহাদেশ কাকে বলে? (What is called Continent?)
পৃথিবীতে বর্তমানে মহাদেশের সংখ্যা মোট ৭টি — এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা,
দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, ওশেনিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা। আয়তন ও জনসংখ্যা — দুই
বিচারেই শীর্ষে রয়েছে এশিয়া মহাদেশ, অন্যদিকে অ্যান্টার্কটিকা এমন একমাত্র
মহাদেশ যেখানে কোনো স্থায়ী মানব বসতি গড়ে ওঠেনি। পৃথিবীর বড় বড় ভূখন্ড গুলোকে মহাদেশ (Continent) বলা হয়। আবার একটি নিদ্দিষ্ট
অঞ্চলে অবস্থিত কতগুলো দেশ নিয়ে মহাদেশ গঠিত হতে পারে। অর্থাৎ একটি মহাদেশের
মধ্যে একটি দেশ বা একাধিক দেশ থাকতে পারে। প্রত্যেকটি মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত
দেশগুলোর ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, প্রকৃতি, রীতিনীতি সবকিছুর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
এক কথায়, ভূ-পৃষ্ঠের বিশাল ও অবিছিন্ন ভূখন্ডকে মহাদেশ বলে।
মহাদেশ কয়টি ও কি কি?
পৃথিবীতে মোট ৭ টি মহাদেশ রয়েছে। পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ হলো এশিয়া মহাদেশ।
দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হলো আফ্রিকা মহাদেশ। প্রতিটি মহাদেশের মধ্যে বিভিন্ন দেশ
অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পৃথিবীর সাতটি মহাদেশের নাম হল–
১. এশিয়া (Asia)২. ইউরোপ (Europe)
৩. আফ্রিকা (Africa)
৪. উত্তর আমেরিকা (North America)
৫. দক্ষিণ আমেরিকা (South America)
৬. ওশেনিয়াবা অস্ট্রেলিয়া (Oceania or Australia)
৭. অ্যান্টার্কটিকা (Antarctica)
মহাদেশ পরিচিত
| মহাদেশ | আয়তন (বর্গ কি. মি.) | স্বাধীন দেশ |
|---|---|---|
| এশিয়া | ৪,৪৪৯৩,০০০ | ৪৪ |
| ইউরোপ | ১,০৫,৩০,৭৫০ | ৪৮ |
| আফ্রিকা | ২,৯৮০০,৪৫০ | ৫৪ |
| উত্তর আমেরিকা | ২,৪৩,২০,১০০ | ২৩ |
| দক্ষিণ আমেরিকা | ১,৭৫,৯৯,০৫০ | ১২ |
| ওশেনিয়া | ৭৬,৮৭,১২০ | ১৪ |
| এন্টার্কটিকা | ১,৫২,০৪,৫০০ | -- |
পৃথিবীর সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন স্থান।
| মহাদেশ | সর্বোচ্চ স্থান (মিটার) | সর্বনিম্ন স্থান (মিটার) |
|---|---|---|
| এশিয়া | মাউন্ট এভারেস্ট (৮৮৫০) | মৃত সাগর (-৪০০) |
| ইউরোপ | মাউন্ট এলব্রাস (৫৬৩৩) | ক্যাস্পিয়ান সাগর (-২৮.০০) |
| আফ্রিকা | কিলিমাঞ্জারো (৫৯৬৩) | লেক আসাল (-১৫৬) |
| উত্তর আমেরিকা | ম্যাককিনলে (৬১৯৪) | ডেথ ভ্যালি (-৮৬) |
| দক্ষিণ আমেরিকা | অ্যাকাঙ্কাগুয়া (৬৯৫৯) | পেনিনসুলা (-৪০) |
| ওশেনিয়া | পুঁসাক জায়া (৪৮৮৪) | লেক আয়ার (-১১৬) |
| এন্টার্কটিকা | -- | ভিনসন ম্যাসিক (৪৮৯৭), বেন্টলে সাবগ্লাসিয়াল ট্রেঞ্চ (-২৫৫.৫) |
সুত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস
মহাদেশ কিভাবে গঠিত হয়? মহাদেশ কিভাবে সৃস্টি হয়েছে?
মহাদেশ সৃষ্টি হওয়ার প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল। পৃথিবীর অভ্যন্তরে যে ভূতাত্ত্বিক
পরিবর্তন এবং টেকটনিক প্লেটস রয়েছে সেগুলোর নড়াচড়া বা চলাচলের কারণে মহাদেশের
সৃষ্টি হয়ে থাকে। কোটি কোটি বছর আগে অর্থাৎ পৃথিবী সৃষ্টির শুরুর দিকে,
পৃথিবীর স্থলভাগ ছিল একটি বিশাল মহাদেশ। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে পৃথিবীর স্থলভাগ
বিভিন্ন অংশে বিভক্ত হয়ে সরে যেতে শুরু করে। মূলত পৃথিবীর ভূত্বকের সে বিশাল
প্লেট টেকটোনিক্স বা টেকনিক প্লেট এর চলাচল, সংঘর্ষ এবং বিচ্ছিন্নতার কারণেই
আজকের এই এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা,
অ্যান্টার্কটিকা ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের সৃস্টি হয়েছে। এই প্রক্রিয়া এখনো ধীরে
ধীরে চলমান রয়েছে। মহাদেশ কিভাবে গঠিত হয় বা মহাদেশ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে সে
বিষয়ে সংক্ষেপে নিম্নে আলোচনা করা হলো।
শুরুর দিকের পৃথিবী (৪ বিলিয়ন বছর আগে)
আমরা অনেকেই জানি, একটি জটিল এবং সহিংস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৃথিবী তৈরি
হয়েছে। পৃথিবী সৃষ্টির পর প্রাথমিক পর্যায়ে সমস্ত পৃথিবী পৃষ্ঠ গলিত
ম্যাগমা দিয়ে আবৃত বা ঢাকা ছিল। এই গলিত ম্যাগমা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে
একটি শক্ত ভূতকে পরিণত হতে শুরু করে। সেই সময়ের পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে
কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান অনেক বেশি ছিল। পৃথিবীপৃষ্ঠের চাপও ছিল
বর্তমান সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। সে সময় গ্রিনহাউজ ইফেক্ট এর কারণে
পৃথিবীপৃষ্ঠ বা ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ছিল বর্তমান সময়ের চেয়ে অত্যন্ত বেশি।
পানি ও মহাসাগরের আগমন (৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে)
“Late Heavy Bombardment” নামে একটা সময়ে প্রচুর গ্রহাণু (asteroid)
পৃথিবীতে আঘাত করে, এবং বিজ্ঞানীরা মনে করেন এভাবেই পৃথিবীতে পানি এসেছিল।
(Late Heavy Bombardment) হলো প্রায় ৪.১ থেকে ৩.৮ বিলিয়ন বছর আগের একটি
কালপর্ব (Time Period), শুধুমাত্র একটি প্রকল্প বা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে
“Late Heavy Bombardment” সময়ের অস্তিত্ব ধরা হয়। ধারণা করা হয় “Late Heavy
Bombardment” সময়ের পর থেকেই পৃথিবীতে স্থায়ীভাবে মহাসাগর টিকে আছে বলে
ধারণা করা হয়।পৃথিবী আরও ঠান্ডা হওয়ার সাথে সাথে বৃষ্টিও শুরু হয়।
পৃথিবী সৃষ্টির পর শুরুর দিকে ভূপৃষ্ঠ ছিল অস্থিতিশীল। প্রতিনিয়ত
আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ও উল্কাপাতের কারনে বারবার ভূত্বক পুনর্গঠিত হতে
থাকতো। সে সময় হয়তো কিছু বড় আগ্নেয়গিরির চূড়া দ্বীপের মতো দেখা যেত।
মহাদেশের একত্র হওয়া ও ভাঙা
সময়ের সাথে সাথে পৃথিবীর ভূত্বক ভাঙ্গা ও গড়ার খেলায় মেতে ওঠে। বিভিন্ন
কারণে ভূত্বক ভেঙ্গে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় এবং আবার জোড়া লাগবে শুরু করে।
কিভাবে মহাদেশ একত্র হয় এবং ভাঙ্গে সে নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।
- প্রায় ১.১ বিলিয়ন বছর আগে প্রথম "সুপারমহাদেশ" রোডিনিয়া (Rodinia) তৈরি হয়। যেখানে পৃথিবীর প্রায় সব ভূমি একসাথে জোড়া লেগেছিল। পরবর্তীতে এটি ভেঙে নতুন মহাসাগর ও ভূমি তৈরি হয়।
- প্রায় ৩৩৫ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি হয় প্যানজিয়া (Pangaea), যেখানে আবার প্রায় সব মহাদেশ একসাথে জোড়া লাগে।
- প্রায় ১৭৫ মিলিয়ন বছর আগে প্যানজিয়া ভাঙতে শুরু করে, যার ফলে আটলান্টিক মহাসাগর তৈরি হয় এবং ভূমিগুলো আলাদা হয়ে যায়।
- প্রায় ১৮০ মিলিয়ন বছর আগে এটি ভেঙে দুই ভাগ হয়—লরেশিয়া (Laurasia) ও গন্ডোয়ানা (Gondwana)। এগুলো পরে ভেঙে ভেঙে আজকের মহাদেশগুলো যেমন- উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরেশিয়া, অ্যান্টার্কটিকা ও অস্ট্রেলিয়া তৈরি হয়।
বর্তমানে কী ঘটছে
আজও পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটগুলো নড়াচড়া করছে। পৃথিবীর ভেতরের ম্যান্টলে
তাপ-পরিচলন (convection) স্রোতের কারণে প্লেটগুলো একে অপরের সাথে ধাক্কা
খায়, সরে যায়, বা একে অপরকে পাশ কাটিয়ে যায়। এর ফলেই পাহাড় তৈরি হয়,
ভূমিকম্প হয়, এবং পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক গঠন বদলাতে থাকে, এই প্রক্রিয়া
এখনও চলমান।
সংক্ষেপে বলতে গেলেঃ মহাদেশগুলো কোনো স্থায়ী জিনিস নয়—এগুলো লক্ষ
লক্ষ বছর ধরে ভেঙেছে, জোড়া লেগেছে, এবং আবার ভাঙবে।
মহাদেশ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মহাদেশের নাম কি?উত্তরঃ পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হলো ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়া। ওশেনিয়া মহাদেশের আয়তন ৭৬ লাখ ১৭ হাজার ৯৩০ বর্গ কিলোমিটার।
⇒ প্রশ্নঃ সবচেয়ে বড় মহাদেশ কোনটি বা আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি ?
উত্তরঃ পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশের নাম এশিয়া। এশিয়া মহাদেশের আয়তন হল ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৯৩ হাজার বর্গকিলোমিটার।
উত্তরঃ এন্টার্কটিকা মহাদেশকে সাদা মহাদেশ বলা হয়। এন্টার্কটিকা মহাদেশ প্রায় সারা বছরই অত্যন্ত শীতল থাকে এবং অধিকাংশ স্থান সাদা বরফের চাদরে ঢাকা থাকে। এই কারণেই মহাদেশটি সাদা মহাদেশ বলা হয়।
⇒ প্রশ্নঃ কোন মহাদেশকে অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ বলে ও কেন?
উত্তরঃ আফ্রিকা মহাদেশকে অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ বলা হয়। আফ্রিকা মহাদেশে গহীন অরণ্য, দুর্গম পর্বত, খরস্রোতা অনাব্য নদী, ঊষর মরুভুমি, অস্বাস্থ্যকর জলবায়ু রয়েছে এবং এইসব কিছুই অধিবাসীদের প্রতিকূলতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কারণেই আফ্রিকা মহাদেশকে অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ বলা হয়।
⇒ প্রশ্নঃ কোন মহাদেশকে জনশুন্য মহাদেশ বলে?
উত্তরঃ এন্টার্কটিকা।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর বৃহত্তম দেশের নাম কী?
উত্তরঃ রাশিয়া।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশের নাম কী?
উত্তরঃ কানাডা।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশের নাম কী?
উত্তরঃ ভ্যাটিকান সিটি।
⇒ প্রশ্নঃ কোন মহাদেশে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ বসবাস করে?
উত্তরঃ এশিয়া মহাদেশে।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর শুষ্কতম স্থান কোনটি??
উত্তরঃ আরিকা (Aricka), চিলি। বার্ষিক বৃষ্টিপাত ০.০৩ ইঞ্চি।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর শীতলতম স্থান কোনটি??
উত্তরঃ ভোস্টক (Vostok), স্টেশন এন্টার্কটিকা। তাপমাত্রাঃ ৮৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর স্থলভাগের আয়তন কত?
উত্তরঃ ১৪ কোটি ৮৬ লাখ ৪৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। (মোট আয়তনের ২৯.১%)
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর জলভাগের আয়তন কত?
উত্তরঃ ৩৬ কোটি ১৪ লাখ ১৯ হাজার বর্গ কিলোমিটার। (মোট আয়তনের ৭০.৯%)
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর বৃহত্তম হিমবাহের নাম কী?
উত্তরঃ লাম্বার্ট হিমবাহ।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
উত্তরঃ মাউন্ট এভারেস্ট (৮৮৫০ মিটার)।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর সর্বনিম্ন বিন্দুর নাম কী?
উত্তরঃ মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (১০,৯২৪ মিটার)।
⇒ প্রশ্নঃ কোন মহাদেশে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে?
উত্তরঃ আফ্রিকা মহাদেশে।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকা মহাদেশে দেশের সংখ্যা কয়টি?
উত্তরঃ ৫৪ টি।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকা মহাদেশের উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
উত্তরঃ মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো (৫৮৯৫ মিটার)।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দ্বীপের নাম কী?
উত্তরঃ মাদাগাস্কার।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ কোনটি?
উত্তরঃ ভিক্টোরিয়া হ্রদ।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকা মহাদেশের তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
উত্তরঃ নীলনদ। (১১ টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।)
⇒ প্রশ্নঃ নীলনদের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তরঃ ৬৮২৫ কিলোমিটার।
⇒ প্রশ্নঃ সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কত?
উত্তরঃ ১৫ কোটি কিলোমিটার।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর তৈরীর উপাদান কি কি?
উত্তরঃ লোহা ৩৫%, অক্সিজেন ২৮%, ম্যাগনেসিয়াম ১৭%, সিলিকন ১৩%, সালফার ২.৭%, নিকেল ২.৭%, ক্যালসিয়াম ১.২% ও অ্যালুমিনিয়াম ০.৪%।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর উপগ্রহ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ পৃথিবীর উপগ্রহ একটি। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের নাম চাঁদ।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণতম বিন্দু কোনটি?
উত্তরঃ আগুলহাস।
⇒ প্রশ্নঃ কোন মহাদেশের উপর দিয়ে নিরক্ষরেখা, কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি তিনটি রেখা গিয়েছে?
উত্তরঃ আফ্রিকা মহাদেশ দিয়ে।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকার বৃহত্তম দেশের নাম কী?
উত্তরঃ সুদান।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকা মহাদেশের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ বসবাস করে?
উত্তরঃ নাইজেরিয়া দেশে।
⇒ প্রশ্নঃ আন্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কী?
উত্তরঃ ভিনসন ম্যাসিফ (৫১৪০ মিটার)।
⇒ প্রশ্নঃ আন্টার্কটিকায় অবস্থিত ভারতের গবেষণা কেন্দ্র গুলির নাম কী?
উত্তরঃ মৈত্রী, দক্ষিণ গঙ্গোত্রী ও মাউন্ট ইন্দিরা।
⇒ প্রশ্নঃ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে কোন খাল?
উত্তরঃ সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগর।
⇒ প্রশ্নঃ এশিয়ার শীতলতম স্থানের নাম কী?
উত্তরঃ সাইবেরিয়ার ভারখয়ানস্ক।
⇒ প্রশ্নঃ এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে কোন পর্বত?
উত্তরঃ ইউরাল পর্বত।
⇒ প্রশ্নঃ এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম দেশের নাম কী?
উত্তরঃ চীন।
⇒ প্রশ্নঃ ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
উত্তরঃ মাউন্ট এলবুর্জ।
⇒ প্রশ্নঃ উত্তর আমেরিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
উত্তরঃ মাউন্ট ম্যাকেনলি।
⇒ প্রশ্নঃ উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণীর নাম কী?
উত্তরঃ রকি পর্বতশ্রেণী।
⇒ প্রশ্নঃ উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
উত্তরঃ মিসিসিপি মিসৌরি।
⇒ প্রশ্নঃ আন্দিজ পর্বতমালা কোন মহাদেশে অবস্থিত?
উত্তরঃ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে।
⇒ প্রশ্নঃ আটাকামা মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
উত্তরঃ দক্ষিণ আমেরিকা।
⇒ প্রশ্নঃ দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশের নাম কী?
উত্তরঃ ব্রাজিল।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমির নাম কী?
উত্তরঃ তিব্বত মালভূমি।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর গভীরতম সাগর কোনটি?
উত্তরঃ ক্যারিবিয়ান সাগর। যার গভীরতা ৬৯৪৬ মিটার।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
উত্তরঃ প্রশান্ত সাগর।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর কোনটি?
উত্তরঃ প্রশান্ত সাগর।
⇒ প্রশ্নঃ আফ্রিকার কঙ্গো প্রজাতন্ত্র কোন ধরণের জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত?
উত্তরঃ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে।
⇒ প্রশ্নঃ ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র কোনটি?
উত্তরঃ ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা। (কারণ ইতালির মধ্যে ভ্যাটিকান সিটি ও সানম্যারিনো রাষ্ট্র অবস্থিত এবং আফ্রিকার মধ্যে লেসোথো রাষ্ট্র অবস্থিত)।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর বৃহত্তম অরণ্য কোনটি?
উত্তরঃ তৈগা।
⇒ প্রশ্নঃ পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী কোনটি?
উত্তরঃ লাপাজ, বলিভিয়া।
তথ্যসূত্রঃ
www.calacademy.org
www.en.wikipedia.org
How on Earth? Terrence McCarthy (2009)
www.maropeng.co.za
www.nationalgeographic.org
www.sciencedaily.com
www.space.com
www.weforum.org
www.minrom.com

Timeline Treasures নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url