ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম কি-ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর কাজ
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার ব্যবস্থা, যার
মাধ্যমে ডাটাবেজের তথ্য সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এটি সহজে তথ্য
সংযোজন, পরিবর্তন, মুছে ফেলা এবং খুঁজে বের করতে সাহায্য করে।
এছাড়া ডাটার
নিরাপত্তা ও সঠিকতা বজায় রাখতেও DBMS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সূচিপত্রঃ- ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম
প্রাথমিক আলোচনা
মানুষের বিভিন্ন ধরণের উপাত্ত বা ডাটার প্রয়োজন হয়। তাই আমরা বিভিন্ন ধরণের
তালিকা বা লিস্ট তৈরি করে তাতে ডাটা সংরক্ষণ এবং বিন্যস্ত করি। বাজারের তালিকা,
ফোনবুক, লাইব্রেরীর ক্যাটালগ এবং ছাত্রদের তালিকা-সবই সুবিনাস্ত উপাত্তের
তালিকা। অনুরূপভাবে কম্পিউটারেরও প্রয়োজন হয় উপাত্তের তালিকা সুসংগঠিত রূপে
সংরক্ষণ করা এবং তা নিয়ন্ত্রণ করা। কম্পিউটারাইজড ডাটাবেজ সৃষ্টির মূল কারণ
সেটাই। প্রকৃতপক্ষে বিশাল পরিমাণ উপাত্ত সুসংগঠিত, সুবিন্যস্ত ও সুসংরক্ষিত
করার চাহিদা থেকেই কম্পিউটার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রাম সৃষ্টির প্রয়াস উদ্ভূত
হয়েছে।
বর্তমান কালের কম্পিউটার আগেকার কম্পিউটারের থেকে অনেক অনেক বেশি জটিল এবং
উন্নত। কিন্তু এখনও তাদের একটি সুসংগঠিত এবং সুবিন্যস্ত ডাটা সোর্স বা উৎসের
প্রয়োজন হয় এবং এই প্রয়োজনটি প্রত্যেক ধরণের কম্পিউটার প্রোগ্রামের জন্যই একই
মাত্রায় প্রয়োজনীয়। উদাহরণস্বরূপ- একটি ওয়ার্ড প্রসেসর কতিপয় ডাটাবেজ সংরক্ষণ
করে। যেমন-বানান চেক করার জন্য শব্দসমূহের একটি ডিকশনারী, ফন্টগুলোর তালিকা এবং
আরো অনেক ধরণের ডাটা।
বাস্তবে প্রতিটি এ্যাপ্লিকেশন সৃষ্টি হয়েছে এমন সব প্রাথমিক প্রোগ্রাম থেকে
যারা ডাটা সংরক্ষণ এবং প্রসেস করে, তাই সে এ্যাপ্লিকেশন শব্দ বা সুসংগঠিত
উপাত্ত তালিকা নিয়ে কাজ করুক আর না করুক। বড় ধরণের বাণিজ্যিক এ্যাপ্লিকেশন
যেমন-সেলস সাপোর্ট সফ্টওয়্যার। যদিও একটি ওয়ার্ড প্রসেসর থেকে ভিন্ন রকম মনে হয়
তবুও প্রতিটি অপারেশনের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে এক বা একাধিক ডাটাবেজ। সংক্ষেপে
বলতে গেলে, আপনি ডাটাবেজকে সকল কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশনের মা বা জননী হিসাবে
আখ্যায়িত করতে পারেন।
ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম কি
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা (Database Management System-DBMS) হচ্ছে
পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা একসেস, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য
প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি। DBMS ব্যবহার করে ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ,
নিরাপত্তা ও আধুনিকীকরণের কাজ করা হয়। তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সুন্দর ও কার্যোপযোগী
করে তুলতে পারে DBMS DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ
করে।
ডাটাবেজ এবং ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম
বিশাল পরিমাণ ডাটা ব্যবহারযোগ্য করার লক্ষ্যে মানুষ এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ
কম্পিউটার এবং একটি দক্ষ ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে। ডাটাবেজ
হলো গুদাম ঘরের মত পরস্পর সম্পর্কিত ডাটা বা ঘটনার একটি সমাবেশ। আর ডাটাবেজ
ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Database Management System, সংক্ষেপে DBMS) হলো একটি
সফ্টওয়্যার টুল (tool) যা লোকজনকে ডাটা বা ঘটনা (Facts) সমূহ একটি কার্যকরী
তথ্যে (Information) সংরক্ষণ করে তাতে প্রবেশ (Access) এবং তা প্রক্রিয়াকরণের
(Process) সুযোগ দেয়।
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম একটি অন্যতম কারণ যার জন্য মানুষ কম্পিউটার
ব্যবহার করে থাকে। অনেক বড় বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান বিপুলায়তন ডাটা রিসোর্স
নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রবলভাবে বিভিন্ন বানিজ্যিক বা কাস্টম (Custom) DBMS এর
উপর নির্ভর করে থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে DBMS কাট ছাট করা হয় বা পরিবর্তন,
পরিবর্ধন বা ঢেলে সাজানো হয়। এটা হয়তো বড় মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উপযোগী করে
তৈরি করা হয় বা হয়তো বড় কোনো ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের জন্য তৈরি করা হয়।
পার্সোনাল কম্পিউটার ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্টকে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে এবং ঘরের
মধ্যে ডেস্কটপের আওতায় নিয়ে এসেছে। যদিও একজন ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর
মজুদ পণ্যের হিসাব সংক্রান্ত ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের প্রয়োজন নাও হতে
পারে, তারা হয়তো বন্ধুদের ঠিকানার তালিকা বা ব্যবসায়িক ঠিকানার তালিকা করতে
গিয়ে বা পারিবারিক বা গৃহস্থালীর কেনাকাটা করার তালিকা বা পারিবারিক বাজেট করতে
গিয়ে বা সিডি এবং ভিডিও লাইব্রেরী সুবিন্যস্তভাবে সাজাতে গিয়ে বা গৃহ-ব্যবসায়ের
উপাত্ত বা ডাটা সংরক্ষণ করতে গিয়ে বাণিজ্যিক DBMS ব্যবহার করছেন।
এই ধরণের সফ্টওয়্যারগুলোকে সাধারণত ডাটাবেজ বা ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
হিসাবে অভিহিত করা হয় না বরং এদেরকে বলা হয় পার্সোনাল ইনফরমেশন ম্যানেজার
(Personal Information Manager) বা পার্সোনাল অর্গানাইজার (Personal Organizer)
বা এ ধরণের আরো অন্যান্য নামে। এ ধরণের সফ্টওয়্যারের বাহ্যিক রূপের অন্তরালে
অবশ্যই রয়েছে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের হৃদয়। উদাহরণস্বরূপ- Microsoft
Outlook একটি জনপ্রিয় পার্সোনাল ইনফরমেশন ম্যানেজার, যা ডাটাবেজ ব্যবহার করে।
Microsoft Outlook এর মত এ্যাপ্লিকেশন দিয়ে আপনি আপনার সিডিউল, ই-মেইল এড্রেস,
নতুন উৎস সমূহ এবং অন্যান্য ধরণের তথ্য সংরক্ষণ এবং তা ব্যবস্থাপনা করতে
পারবেন।
একটি DBMS বহু ধরণের রুটিন কাজ (Routine Work) কে সম্ভব করে তোলে যা অন্যভাবে
হয়তো অনেক ক্লান্তিকর এবং সময়ক্ষেপন হতো। উদাহরণস্বরূপ, একটি DBMS নিন্মোক্ত
কাজগুলো করে থাকে-
* ZIP কোডের মাধ্যমে হাজার হাজার ঠিকানা সাজিয়ে রাখতে পারে।
* কোনো নির্দিষ্ট একটি শহরে বসবাসরত সকল লোকের রেকর্ড সংরক্ষণ করতে পারে বা
খুঁজে বের করতে পারে।
* বাছাইকৃত রেকর্ডের তালিকা প্রিন্ট করতে পারে। যেমন- গত মাসে সমাপ্ত সকল রিয়েল
এস্টেটের তালিকা।
* লীজে গাড়ি ক্রেতার কাছে ইনভয়েস পাঠানো, মজুদপণ্যের সমন্বয় করা, সার্ভিস
ডিপার্টমেন্টের মেইলিং লিস্টের তালিকা আপডেট করতে পারে- কেবল মাত্র একটি
বিক্রয়ের তথ্য এন্ট্রি করার মাধ্যমে।
অন্যকথায় একটি DBMS কেবল তথ্য সংরক্ষণ করে না বরং এটা কোনো ব্যবহারকারীকে সেই
তথ্য খুব সহজে খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। একটি DBMS হাজার হাজার লাখ লাখ
ডাটার মধ্যে সঞ্চালন করে কেবলমাত্র কাঙ্ক্ষিত ডাটাটি খুব সহজে খুঁজে এনে দিতে
পারে।
কয়েকটি DBMS এর উদাহরণ
বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের DBMS ব্যবহার করা হয়, যা ডাটাবেজ সংরক্ষণ ও পরিচালনার
কাজে ব্যবহৃত হয়।
১. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access)২. ওরাকল (Oracle)
৩. মাইএসকিউএল (MySQL)
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server)
৫. এসকিউলাইট (SQLite)
৬. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL) ইত্যাদি।
DBMS এর প্রাথমিক কাজসমূহ
DBMS ডাটাবেজের তথ্যকে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এর
মাধ্যমে সহজেই তথ্য যোগ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা এবং অনুসন্ধান করা যায়। এছাড়া
ডাটার নিরাপত্তা, নির্ভুলতা ও দ্রুত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও DBMS-এর
গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রাথমিক কাজগুলো হলো-
১. ডেটাবেজ তৈরি করা, ডেটা এন্ট্রি করা এবং ডেটা সংরক্ষণ করা।২. ডেটার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা।
৩. অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড ডিলিট করা।
৪. নির্দিষ্ট ডেটা/রেকর্ড সার্চিং বা অনুসন্ধান এবং কুয়েরি করা।
৫. রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা।
৬. কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে ডেটাসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানো। ।
৭. ডেটা ডুপ্লিকেশন কমানো।
৮. প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ডেটাবেজ বা ডেটাবেজের অংশবিশেষ প্রিন্ট করা।
৯. ডেটাবেজ আপডেট করা।
১০. ডেটার নিরাপত্তা বিধান করা এবং ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রণ করা।
১১. ডেটার ব্যাকআপ ও রিকভারি করা।
DBMS-এর সুবিধা ও অসুবিধা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনাকে সহজ ও কার্যকর
করে তোলে। এর মাধ্যমে দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং
ডাটা সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়। তবে এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে, যেমন পরিচালনা
ও রক্ষণাবেক্ষণে বেশি খরচ এবং দক্ষ জনবলের প্রয়োজন।
DBMS-এর সুবিধাঃ
১. ডেটার বাহুল্য (Redundancy) কমায়।২. ভুল ডেটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. সহজে ও দ্রুত নির্দিষ্ট ডেটা অনুসন্ধান করা যায়।
৪. ডেটা শেয়ার করা যায়।
৫. ডেটার সঠিকতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
৬. চাহিদামতো বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরি করা যায়।
৭. অননুমোদিত ব্যবহার রোধ করাসহ ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
৮. উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা খরচ কমায়।
৯. ব্যাকআপ ও রিকভার সার্ভিস দেয়।
DBMS-এর অসুবিধাঃ
১. অভিজ্ঞ জনশক্তির প্রয়োজন।২. পদ্ধতিগত জটিলতা থাকতে পারে।
৩. অধিক ব্যয়সাপেক্ষ।
৪. ভুল ডেটা এন্ট্রি সম্পূর্ণ ডেটাবেজকে প্রভাবিত করতে পারে।
৫. অধিক মেমোরির প্রয়োজন হতে পারে।
৬. সিস্টেম ফেইল করা অথবা ভাইরাস বা হ্যাকারের আক্রমণে সম্পূর্ণ কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তিনির্ভর
কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণ, পরিচালনা ও দ্রুত
খুঁজে বের করার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষা, ব্যাংকিং,
ব্যবসা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য DBMS ব্যবহার করা
হয়। বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে। যথা-
১. তথ্য ব্যবস্থাপনাঃ ব্যাপক তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয় এমন সব সরকারি
প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, পরিসংখ্যান ব্যুরো, শিক্ষা ব্যুরো, রপ্তানি
উন্নয়ন ব্যুরো, পর্যটন কর্পোরেশন, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রভৃতি
প্রতিষ্ঠানসমূহে।
২. ব্যাংকিংঃ ব্যাংকিং সেক্টরের সব ধরনের কার্যক্রম যেমন- ব্যাংকিং
লেনদেন, গ্রাহকের বিবরণ, ব্যালেন্স, একাউন্ট স্টেটমেন্ট, ঋণ সংক্রান্ত
হিসাব-নিকাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড প্রভৃতি কাজে।
৩. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানঃ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যেমন- বড় শপিং
মলে প্রডাক্ট মজুদ, বিক্রয় এবং গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ ও বিল তৈরিকরণে, অনলাইন
শপিং সার্ভিসে।
৪. এয়ারলাইন্সঃ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত টার্মিনালের সাথে টেলিফোন
ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানের রিজার্ভেশন ও সিডিউল তৈরিতে।
৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিবিধ তথ্য যেমন রেজিস্ট্রেশন, ফি কালেকশন,
ভর্তি ফরম পূরণ, রুটিন, পরীক্ষার ফলাফলের গ্রেডিং প্রভৃতি কাজে।
৬. টেলিকমিউনিকেশনঃ টেলিফোন কলের রেকর্ড, মাসিক বিল, প্রি-প্রেইড কলিং
গ্রাহকের হিসাব, গ্রাহকের তথ্যাবলি সংরক্ষণে DBMS এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।
৭. তথ্য ব্যবস্থাপনাঃ বিভিন্ন অর্থলগ্নীকারক ও ব্যবস্থাপনা যেমন-
হোল্ডিং, ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, শেয়ার বা বার্ষিক আর্থিক বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজে।
৮. উৎপাদনঃ বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, চাহিদা, অর্ডার
প্রভৃতি হিসাব বিশ্লেষণে।
৯. মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাঃ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত নথিপত্র,
বেতন-ভাতাদি, ওভারটাইম, আয়কর, বোনাস প্রভৃতি হিসাব প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে।
১০. ওয়েববেজড সার্ভিসঃ ওয়েব ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক নেয়া, উত্তর দেয়া
এবং রিসোর্স শেয়ারিং করার কাজে।
১১. স্বাস্থ্য সেবায়ঃ বড় বড় হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ,
ডায়াগনসিস রিপোর্ট, অনলাইন স্বাস্থ্য সেবায়, বায়োমেডিক্যাল গবেষণায়।

Timeline Treasures নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url