আনারস খাওয়ার উপকারিতা-আনারসের পুষ্টিগুণ

আনারস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকেই জানিনা। আনারস খাওয়ার উপকারিতার মধ্যে এর অন্যতম প্রধান গুণ হলো ঔষধি গুণ। যেকোনো ফলমূলই শরীর এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। মৌসুমী ফল গুলোর মধ্যে আনারস অন্যতম।
আনারস খাওয়ার উপকারিতা-আনারসের পুষ্টিগুণ
এই ফলের পুষ্টিগুণ যেমন রয়েছে তেমন ঔষধি গুণও রয়েছে। আনারস খাওয়ার উপকারিতা যে কত সে সম্পর্কে আমাদের জানা দরকার। আজকে আমরা আনারস খাওয়ার উপকারিতা, পুষ্টিগুণ এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জানব।

সূচিপত্রঃ- আনারস খাওয়ার উপকারিতা-আনারসের পুষ্টিগুণ

ভুমিকা

আমরা সবাই ফলমূল পছন্দ করি। তবে এমনও মানুষ আছেন যারা ফলমূল খেতে পছন্দ করেন না। তবে কোন ফলে কি কি পুষ্টিগুণ আছে, কোন ফল খাওয়ার উপকারিতা কি কি, সকল হিসেব করে আমরা ফলমূল খায় না। যদি আমরা ফলের পুষ্টিগুণ এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতাম তাহলে নিশ্চয়ই আমাদের খাদ্য তালিকায় ফলমূল রাখতাম। গ্রীষ্মকালীন এ ফলটির মধ্যে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।

আনারসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ

ইউরোপের মানুষজন পাইন গাছের শক্ত এবং শুষ্ক ফল ‘কোন’ (Cone) এর সাথে আনারসের অনেক মিল খুঁজে পেয়েছিল। এ কারণে সম্ভবত ইউরোপের অভিযাত্রীরা ১৬০০ সালের দিকে দক্ষিণ আমেরিকায় সর্বপ্রথম এই ফল দেখার পরে নাম দিয়েছিল পাইনাপেল (পাইন+আপেল)। তখন থেকেই এই অপরিচিত ফল সারা বিশ্বে পাইনাপেল বা আনারস হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। আনারস হল বিশ্বের প্রধান ফল গুলোর মধ্যে একটি।

আনারস এমন একটি ফল যা বিশ্বের সব দেশেই উৎপাদন করা হয়। আমরা জানি আনারস একটি কাঁটাযুক্ত ফল। তাই এই ফলটি কাটতে হলে অবশ্যই দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে। পাকা আনারস খেতে বেশ মজাদার। তবে অনেকেই পাকা আনারস বা আধ-পাকা আনারস মাছ বা মাংসের সঙ্গে রান্না করেও খান। তবে আনারস সালাদ হিসেবে খাওয়াটাই বেশি জনপ্রিয়। আনারসের সালাত যেমন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ তেমনি সুস্বাদু। শরীরের ক্লান্তি দূর করার জন্য আনারসের জুস অত্যন্ত কার্যকর।

আনারসের পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম আনারসে রয়েছে ৫০ কিলো ক্যালরি শক্তি। এছাড়াও আনারস ভিটামিন-এ, বি, সি, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ একটি ফল। ১০০ গ্রাম আনারসে ০.৬ ভাগ প্রোটিন, ০.১২ গ্রাম সহজপাচ্য ফ্যাট, ০.৫ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ১৩.১২ গ্রাম শর্করা, ০.১১ গ্রাম ভিটামিন বি-১, ০.০৪ মি. গ্রাম ভিটামিন-২, ভিটামিন- সি ৪৭.৮ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.০২ গ্রাম, আঁশ ১.৪ গ্রাম এবং ১.২ মিলি গ্রাম লৌহ রয়েছে। আনারসে ব্রোমেলেইন নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম রয়েছে। মজার বিষয় হলো আনারস ছাড়াও কমলা, আমড়া এবং টক জাতীয় ফলে ব্রোমিলিনের উপস্থিতি আনারসের চেয়ে বেশি।

এছাড়াও এতে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ নামক খনিজ উপাদান যা দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আনারস খাওয়ার উপকারিতা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এটি খেলে শরীরে ক্যালরির সঞ্চয় কম হয় যার ফলে মোটা হয়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে না। তাছাড়া এতে কোন ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নেই। আনারসের পেকটিন নামক গুরুত্বপূর্ণ ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্সের উপাদান গুলোর মধ্যে রয়েছে ফলেট, থায়ামিন, পাইরিওফিন ও রিবোফ্লোবিন ইত্যাদি।

আনারস খাওয়ার উপকারিতাঃ

আমরা একটি পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু ফল। পুষ্টিগণের দিক থেকে আনারস অতুলনীয়। আনারসে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এই উপাদান গুলো শরীরের কোষকে বিভিন্ন ধরনের হয় থেকে রক্ষা করে। যার ফলে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট রোগ, বাত এবং বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে দূরে থাকা যায়।

পুষ্টির অভাব দূর করেঃ

পুষ্টির উৎস হিসেবে আপনারা আনারসকে বেছে নিতে পারেন। আনারসের প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, এবং ফসফরাস রয়েছে। এ সকল উপাদান শরীরের পুষ্টির অভাব পূরণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হজমশক্তি বাড়ায়ঃ

হজম শক্তি বুদ্ধির জন্য আনারস খুব কার্যকরী। ব্রোমেলিন নামক এনজাইম আমাদের শরীরে হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

হাড় মজবুত রাখেঃ

আনারসের প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগানিজ রয়েছে। এই উপাদানগুলো হাড় ও কানেক্টিভ টিস্যুকে করে শক্তিশালী। এ সকল উপাদান আমাদের হাড় কে মজবুত রাখতে সাহায্য করে। হাড়ের গঠনের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাড় মজবুত এবং শক্ত করে। এক কাপ আনারসের জুস আমাদের দৈনিক প্রয়োজনীয় ম্যাঙ্গানিজের ৭৩ ভাগ পূরণ করতে সক্ষম। বিভিন্ন ধরনের হাড়ের সমস্যা গুলোকে প্রতিরোধ করতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আনারস যুক্ত করতে পারেন।

ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ

শরীরের ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও আনারসের কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে। আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এর মধ্যে ফ্যাট এর পরিমাণ অনেক কম। ওজন কমানোর জন্য সকালে আনারসের সালাত বানানো রসে জুস খেতে পারে।

চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায়ঃ

চোখের অসুখগুলোর মধ্যে ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন অন্যতম। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে আনারস চোখের ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন রোগ হতে চোখকে রক্ষা করে। এই চোখটি মানুষের চোখের রেটিনা নষ্ট করে দেয় এবং ধীরে ধীরে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। আনারসের প্রচুর পরিমাণে বেটা ক্যারোটিন রয়েছে। এই উপাদানটি ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন রোগ হওয়ার সম্ভাবনাকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায়ঃ

আমরা জানি ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের জন্য খুব উপকারী। দাঁত ও নারীর সমস্যা দূর করার জন্য আনারস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ

দীর্ঘদিন ধরে যারা কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে ভুগছেন তাদের জন্য এ আনারস সমাধানের উপায় হতে পারে। এছাড়াও আনারস শরীরের ক্ষুধাবর্ধক হিসেবে কাজ করে। যেকোনো ধরণের অসুস্থতার পর মুখের রুচি ফিরিয়ে আনার জন্য আনারস কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

শরীর ও ত্বক সুস্থ রাখেঃ

আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ি, ত্বকের অসুখ সহ যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে আনারস বেশ কার্যকর। বিশেষ করে যাদের ত্বক তৈলাক্ত, মুখে ব্রণ রয়েছে এবং লাবণ্যতা কম তারা এ সমস্যা দূর করার জন্য আনারস কে উপায় হিসেবে বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও আনারসের প্রোটিন ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়। আনারস শরীরের মধ্যে রক্ত জমাট বাধতে বাধা প্রদান করে। ফলে শরীরের শিরা ও ধমন এর দেয়ালে রক্ত জমাট বাধার সম্ভাবনা থাকে না। এবং রক্তের প্রবাহ বা সঞ্চালন ঠিক রাখে।

কৃমিনাশক হিসেবেঃ

আনারস খেলে কৃমির সমস্যা দূর হয়। প্রেমের সমস্যা দূর করার জন্য সকালে খালি পেটে আনারস পেতে পারেন। তবে আপনার যদি এসিডিটি থাকে তাহলে খালি পেটে আনারস খাওয়া আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

জ্বর হলে আনারস খাবেন কেনঃ

জ্বর হলে আনারস খাবেন এ কথা আমরা সবাই জানি। জ্বরের ক্ষেত্রে আনারস খাওয়ার উপকারিতা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো আনারস শরীরে তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ঋতু পরিবর্তনের কারণে আমরা প্রায়ই ঠান্ডা এবং জ্বরে ভুগে থাকি। আবার অনেকেই হঠাৎ ভাইরাস জনিত জ্বরে আক্রান্ত হয়। আমরা জ্বর হলেই ওষুধ খায়। প্যারাসিটামল সহ বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই খেয়ে থাকি। জ্বর হলেই কি ওষুধ খাওয়া উচিত? প্রাথমিক অবস্থায় জ্বর দূর করার জন্য ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। অথবা যে সকল ফল খেলে জ্বর নিরাময় হয় সেগুলো খেতে পারে। আনারস হল জ্বর নিরাময়কারী একটি ফল।

স্বাভাবিক জ্বরের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে আপনি আনারস খেতে পারেন। জ্বর যদি তিন দিন এর বেশি থাকে বা শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেশি হয় তাহলে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আনারস জরের তীব্রতা কমানোর পাশাপাশি রবির শরীরে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। বয়োজ্যেষ্ঠ গণ বলে থাকেন জ্বর হলে আনারস খেতে হবে। এই আনারস জ্বর এবং জন্ডিস রোগের জন্য খুব উপকারী। আনারসে প্রচুর ক্যালরি রয়েছে যেগুলো আমাদের শরীরের শক্তি যোগায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, গলা ব্যথা, সাইনোসাইটিস জাতীয় অসুখগুলোর বিরুদ্ধে আনারস বেশ কার্যকর।

ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ

ক্যান্সারপ্রতিরোধের ক্ষেত্রে আনারস খাওয়ার উপকারিতা কম নয়। আনারস মেয়েদের জরায়ু এবং স্তন ক্যান্সার সহ ফুসফুস অন্ত্র ও ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও বার্ধক্যজনিত চোখের বিভিন্ন ত্রুটি প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

আনারস খাওয়ার সঠিক সময়ঃ

একটি প্রবাদ বাক্য আছে, “খালি পেটে জল, ভরা পেটে ফল”। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা খালি পেটে আনারস খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। তবে খালি পেটে আনারস খেলে কৃমি থেকে মুক্ত থাকা যায়। তাই তাদের কৃমি আছে তাদের ক্ষেত্রে আনারস খাওয়ার উপকারিতা অনেক।

গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া যাবে কিনাঃ

আমাদের দেশে প্রচলিত একটি কথা হলো, প্রেগন্যান্সি(গর্ভাবস্থা) আনারস খেলে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ কথাটি সঠিক নয়। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মা ও শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউকে বেবি সেন্টারের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়, “গর্ভবতী মায়ের গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া সম্পন্ন নিরাপদ। গর্ভাবস্থায় আনারস খেলে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের হাতে কোন প্রমাণ নেই।
আনারস খাওয়ার উপকারিতা-আনারসের পুষ্টিগুণ

আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় গর্ভাবস্থায় আনারস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত থাকা যায়।

আনারসে যে ব্রোমিলিন নামক উপাদান রয়েছে তা একসময় গর্ভপাত করানোর জন্য ব্যবহৃত হতো। তবে আনারসে এই ব্রোমিলিন এর পরিমাণ অনেক কম। তাই গর্ভাবস্থায় আনারস খেলে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেহেতু ব্রোমিলিন গর্ভপাত ঘটাতে পারে সেহেতু অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

আনারস ও দুধ একসাথে খেলে কি হয়ঃ

আনারস ও দুধ কি একসাথে খাওয়া যায়? এটি একটি সাধারণ প্রশ্ন। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সমাজে এই কথাটি প্রচলিত যে আনারস খাওয়ার পর দুধ পান করলে অথবা দুধ পান করার পর আনারস খেলে মানুষ মারা যায়। এই জন্য আমরা কেউ এই কাজটি করি না। তবে অনেকে সাহস করে আনারস হওয়ার পর দুধ পান করেন অথবা দুধ পান করার পর আনারস খান। এমনটি হলে আসলেই কি মানুষ মারা যায়। দুধ হলো একটি আদর্শ খাবার।
আনারস খাওয়ার উপকারিতা-আনারসের পুষ্টিগুণ
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধ এমন একটি খাবার যার মধ্যে প্রায় সকল পুষ্টি উপাদান রয়েছে। দুধ প্রোটিন, চর্বি এবং কার্বোহাইড্রেটের একটি দুর্দান্ত ‘মিশ্রণ’। এজন্যই যে কোন বয়সের মানুষ দুধ পান করতে পারেন। অপরপক্ষে আনারস প্রধানত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। এছাড়াও আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ফসফরাস রয়েছে।

কিন্তু যখন আনারস ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া হয় তখন কি এরা রেসলিং ট্যাগ টিম এর মত যৌথভাবে কাজ করে মানুষের মৃত্যু ঘটায়? এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য কি? বারডেমের প্রাক্তন প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার ‘প্রথম আলো’ বলেন: “দুধ এবং আনারস একসাথে খেলে মানুষ মারা যায় এমন বলার কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এটি নিতান্তই একটি খুব সাধারণ কুসংস্কার।”

উপসংহার

প্রতিটি ফলই মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। শরীকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে শাক সবজির পাশাপাশি ফলমূল হওয়ার বিকল্প নেই। আজকে আমরা আনারসের পুষ্টি গুণ, আনারস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানলাম। আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগলে সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার করতে ভুলবেন না। যেকোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে অবশ্যই কমেন্ট করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Timeline Treasures নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url